Home

Welcome to the professional and personal website of Binayak Sen. He is a well-known economist in Bangladesh, working mainly on growth, poverty, inequality and human development issues. Binayak has wide-ranging interests in the social sciences and humanities, and has written on topics that go beyond economic issues. He  also has a passion for literature, and contributes frequently to literary criticism as well as poetry translation into Bengali.

This site is intended to collect Binayak’s writings over the past two decades in broad areas of the social sciences and humanities. Parts of the site are still under construction, so we appreciate your patience.

Recent Posts

পুনশ্চ প্যারিস

পর্ব ::৩৮

লোহানীর প্যারিস

অধ্যাপক ফিলিপ বেনোয়া আমার প্রায় সমবয়েসী। কৃত্তিবাস রামায়ণ নিয়ে মৌলিক গবেষণা রয়েছে তার। যে রামায়ণকে আমরা ‘কৃত্তিবাসের রামায়ণ’ বলে জানি, তার কোনো মূল পাঠ কোথাও পাওয়া যায়নি। ষোড়শ শতকের এই বাঙালি মহাকবি সম্পর্কে প্রায় কিছুই আমরা জানি না বলতে গেলে। ব্রিটিশরা এ দেশে আসার পরে শ্রীরামপুরের ডেনিশ মিশনারিদের উদ্যোগে প্রথম ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হয় কৃত্তিবাসের রামায়ণ। সেটিই বাংলায় প্রকাশিত প্রথম বই। শুধুমাত্র এ কারণেই কৃত্তিবাস সম্পর্কে আমাদের আরেকটু উৎসাহী হওয়া দরকার। ষোড়শ শতকের পরের দুইশ’ বছরে কৃত্তিবাসের রচনার বেশ কিছু পাণ্ডুলিপি পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু তার মধ্যে পাঠের তারতম্য দেখা যায়। বেনোয়া জানালেন যে, এগুলোর মধ্যে কোনটা ‘মূল’, সেটা প্রমাণ করা কঠিন। রামায়ণের আদি-স্রষ্টা বাল্মীকির মতোই বাংলায় রামায়ণের স্রষ্টা কৃত্তিবাসের জীবন আমাদের দৃষ্টির আড়ালে থেকে গেছে অদ্যাবধি। বেনোয়া বাল্মীকির রামায়ণ ও কৃত্তিবাসের রামায়ণের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্নেষণ করেছেন। তাকে প্রশ্ন করি, ‘কাশিরাম দাস নিয়ে কি কোনো কাজ হয়েছে?’ বাংলায় মহাভারতের রচয়িতা কাশিরাম দাস সম্পর্কেও কোনো গবেষণা কাজ হয়নি এখন পর্যন্ত- বেনোয়ার স্পষ্ট উত্তর। বুঝলাম, কৃত্তিবাসের রামায়ণ বা কাশিরাম দাসের মহাভারত এখনও রূপকথার জগতের মতো আমাদের স্মৃতিতে বা শ্রুতিতেই রয়ে গেছে কেবল। এখানেই পাশ্চাত্যের সঙ্গে আমাদের বড় পার্থক্য। ভারতে হিন্দুত্ব নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে চলেছে। সেখানে হিন্দুত্ববাদীরা ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা পরস্পরের বিরুদ্ধে মসীযুদ্ধ করছেন। কিন্তু বাল্মীকির রামায়ণ ও কৃত্তিবাসের রামায়ণ নিয়ে তুলনামূলক গবেষণা করে চলেছেন পাশ্চাত্যের প্রাচ্যবিদরা। সে নিয়েও আমাদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের অন্ত নেই। আমরা যত তাড়াতাড়ি এডোয়ার্ড সাইদের ‘ওরিয়েন্টালিজম’ পড়ে প্রাচ্যবিদদের কাজগুলোকে সন্দেহের চোখে দেখতে থাকি, তার সিকি ভাগ কষ্টও করতে চাই না নিজেদের সাহিত্য-ইতিহাস-সংস্কৃতি নিয়ে প্রাচ্যবিদদের মতো মৌলিক গবেষণা করার পেছনে। অধ্যাপক বেনোয়াকে দুই দশক ধরে সংস্কৃত পড়তে হয়েছে, তারপর তিনি ‘প্রাচ্যবিদ’ হয়েছেন। আমার মনে পড়ল, কয়েক বছর আগে এশিয়াটিক সোসাইটির এক সভায় অধ্যাপক আবদুল মোমিন চৌধুরী আক্ষেপ করে বলেছিলেন যে, মধ্যযুগের বাংলা নিয়ে ভালো গবেষণা হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসছে দ্রুত। কেননা ‘এখনকার গবেষকেরা কেউ কষ্ট করে সংস্কৃত ও ফার্সি ভাষা শিখতে শ্রম দিতে নারাজ।’

বেনোয়ার সঙ্গে কথা হচ্ছিল প্যারিসে মেট্রো ‘বিবিলিওতেক নাসিওনাল’-এর কাছাকাছি একটি স্থানে। প্যারিসে এসে আমাকে জানতে হচ্ছে কৃত্তিবাস ও কাশিরাম দাসের কথা। এ ধরনের আলাপ তো ঢাকাতেও উত্তরার জসীম উদ্‌দীনের মোড়ে দাঁড়িয়ে হতে পারত। বেনোয়া শুধু কৃত্তিবাসই জানেন না, তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্য সম্পর্কেও খবর রাখেন। কথায় কথায় কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর কথা উঠল। বললাম, ‘রুদ্র আর আমি একই ক্লাসে একই কলেজে একই সময়ে পড়েছি। ও ছিল আর্টসের ছাত্র, আর আমি সায়েন্সে। ওর গোড়ার দিককার কবিতাগুলো লেখা হতো যখন, তখন থেকে আমার সঙ্গে পরিচয়। ‘তখন’ শব্দকে ‘তখোন’ করে লিখত। তাই নিয়ে সমালোচনা করতাম ওকে আমরা। নিজের কবিতা নিয়ে এক ধরনের দ্বিধা ছিল তার। তারপরও কবি হওয়ার জন্য মাঝ-দুপুরের রৌদ্রের ভেতরে সে ঝাঁকড়া চুল নিয়ে ক্রোশের পর ক্রোশ হেঁটে গেছে ঢাকার রাস্তায়।’ শুনে হাসলেন বেনোয়া। পরিস্কার বাংলায় বললেন, ‘রুদ্রর কবিতা আমি পড়েছি। ও খুবই শক্তিশালী কবি।’

সতেরো বছর পরে প্যারিসে আসা। এখানে বসেই মার্কস রচনা করেন তার ১৮৪৪ সালের ‘ইকোনমিক অ্যান্ড ফিলোসফিক ম্যানুস্ট্ক্রিপ্ট’, যা ‘প্যারিস ম্যানুস্ট্ক্রিপ্ট’ হিসেবে ছাত্রাবস্থায় জেনেছিলাম। তরুণ মার্কসের ‘মানবতাবাদী’ রচনার সারসংক্ষেপ এখানে- এই প্যারিসে বসেই। এখানেই জন্ম নিয়েছে তার বিখ্যাত ‘এলিয়েনেশন’ বা বিচ্ছিন্নতাবাদ বিষয়ক তত্ত্ব। জন স্টুয়ার্ট মিলের আগে এখানেই প্রথম তিনি লেখেন ‘স্বাধীনতা’ বা ফ্রিডম সম্পর্কে ভাবনা-উদ্রেককারী ইস্তেহার। এই প্যারিস তরুণ মার্কসের যেমন, তেমনি মার্কসের প্রায় সমান বয়েসী কবি শার্ল বোদলেয়ারেরও। প্যারিস মানেই বোদলেয়ারের প্যারিস- তার বিখ্যাত রচনা ‘Paris Spleen’ এই শহরকে ঘিরেই। যারা আক্রান্ত- কবিতা দীর্ঘকাল পড়েননি, তাদের উচিত বোদলেয়ারের এই ৫০টি ছোট ছোট গদ্য-কবিতার সংকলন দিয়ে নিমগ্ন-পাঠ শুরু করা। তার মৃত্যুর দু’বছর পরে ১৮৬৯ সালে এটি প্রকাশিত হয়। বোদলেয়ার ১৮৪৮ সালের বিপ্লব-প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নেননি। কিন্তু এর জোরালো সমর্থক ছিলেন। তিনি বুঝতে পারছিলেন যে, প্যারিস যতই আধুনিক হয়ে উঠছে ততই সেখানে বাড়ছে ধনী-গরিবের বৈষম্য। এই উপলব্ধি সবচেয়ে তীব্রভাবে প্রকাশিত হয় তার Le Spleen de Paris বইটিতে। বইটির শিরোনামে ‘Spleen’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ প্লীহা, তবে অ্যানাটমির এই ‘অর্গানটি’ কবির আরাধ্য বিষয় নয়। ঝঢ়ষববহ শব্দটির অন্য একটি অর্থও রয়েছে। সেটি হলো- ‘কোনো আপতিক কারণ ছাড়াই বিষণ্ণতা, যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সবকিছুর প্রতি বিতৃষ্ণাবোধ।’ আধুনিকতার পথে সৃষ্ট বৈষম্যকে সেভাবেই দেখেছেন বোদলেয়ার। এ বইয়ের একটি কবিতার নাম ‘Eyes of the Poor’। ঝকঝকে নতুন একটি কাব্যের দিকে তাকিয়ে আছে একটি দরিদ্র পরিবার। সেটা দেখে বাক্যের ভেতরে বসা কবি বিচলিত বোধ করছেন : ‘Not only was I moved by that family of eyes, but I felt a little ashamed of our glasses and decanters, larger than our thrist….’। এ রকম বৈষম্যের পরিবেশে সুস্থির থাকা, সুস্থ থাকা কঠিন। সে জন্যই বোদলেয়ার বলছেন, যেন নিজেকেই শুনিয়ে বলছেন, ‘তোমাকে সবসময় বুঁদ হয়ে থাকতে হবে… সময় তোমার কাঁধের ওপরে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে এবং তুমি ক্রমশ ঝুঁকে পড়ছ নিচে, মাটির দিকে; তোমাকে বুঁদ হয়ে থাকতে হবে বিরতিহীনভাবে।’ এই বিচ্ছিন্নতাবোধ বা এলিয়েনেশন মার্কসীয়। যারা অন্য বোধের চর্চা করছেন, তাদেরকে মনে রাখতে হবে, মার্কসের ‘প্যারিস ম্যানুস্ট্ক্রিপ্ট’ আর বোদলেয়ারের ‘প্যারিস স্পিল্গন’ একই সময় ও মনোভূমি থেকে নিষ্ফ্ক্রান্ত।

যখন সতেরো বছর আগে প্যারিসে আসি OECD-র একটি ‘ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট’-এর আলোচক হিসেবে, তখন আমার মাথায় ছিল মার্কসের প্যারিস ম্যানুস্ট্ক্রিপ্ট আর বোদলেয়ারের প্যারিস। আসার আগে অর্থনীতিবিদ আজিজুর রহমান খান (স্যার) বলে দিয়েছিলেন, Louvre দেখার আগে D’orsay মিউজিয়াম দেখে আসবেন। দু’দিন থাকছেন, সে কারণেই বলছি। D’orsay-তে সব ইম্প্রেশনিস্ট ও এক্সপ্রেশনিস্ট চিত্রকর্ম এক জায়গায় পেয়ে যাবেন।’ অধ্যাপক খান নিজে একজন চিত্রশিল্পী; ইমপ্রেশনিজম ধারার ছবি আঁকার নিরিবিলি চর্চা করে আসছেন দীর্ঘকাল ধরে। তার কথামতো সেবার D’orsay মিউজিয়ামে গিয়েছিলাম। একটা পুরো বিকেল সেখানে কাটিয়েছি। পুরোনো একটি রেলস্টেশনকে কীভাবে কেবল উদ্ভাবনী ক্ষমতার জোরে ‘মিউজিয়ামে’ রূপান্তর করে চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়া যায়, তার একটি প্রকৃষ্ট নমুনা এটি। সেবার তাতেই এতটা আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম যে Louvre ও তার মোনালিসা আমার অধরাই থেকে গিয়েছিল। তার পরও এতগুলো বছর বাদে প্যারিসে আসার পরে আমার প্রথমেই মনে পড়ল ফ্রান্সের ন্যাশনাল লাইব্রেরি বা বিবিলিওতেক নাসিওনালের কথাই। আমার অবচেতন মনের ভেতরেও কোথাও এর সূত্র ছিল নিশ্চয়ই। সেদিন অধ্যাপক ফিলিপ বেনোয়ারের সঙ্গে কৃত্তিবাস বিষয়ক আলাপ করতে করতে তিনি হঠাৎ আমাকে দেখালেন লাইব্রেরিটি। ‘ঐ যে দেখছেন, আধখোলা বইয়ের মতো বিল্ডিং তিনটি, ওটাই ফ্রেঞ্চ ন্যাশনাল লাইব্রেরি।’ আর আমার তৎক্ষণাৎ মনে পড়ে গেল গ্যাব্রিয়েলা লোহানীর চিঠিটির কথা।

গ্যাব্রিয়েলা লোহানী ১৯২৫ সালের দিকের একটি চিঠিতে পাবনায় তার শাশুড়িকে লিখছেন প্যারিস থেকে। যার মমার্থ হলো- ‘মাজু (লোহানী) খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করছে একটি বইয়ের ওপরে।’ বোঝা যাচ্ছে, গোলাম আম্বিয়া খান লোহানী শুধু প্রবন্ধ লিখেই ক্ষান্ত হননি; একটি ‘বই লেখার’ কাজেও ব্যাপৃত ছিলেন সে সময়ে। তার মানে, ১৯২৪-২৫ সালে প্যারিসে অবস্থানকালেই এই লেখা তিনি শুরু করেছিলেন। ১৯৮৭ সালে যখন প্রথম গ্যাব্রিয়েলার চিঠিটি পড়ি, তখনই আমার মনে হয়েছিল, এই বইটি হয়তো প্রকাশিত হয়েছে পরে এবং হয়ে থাকলে তা হয়তো বিবিলিওতেক নাসিওনালের সংগ্রহশালায় পাওয়া যেতেও পারে। স্বয়ং এমএন রায় যার সম্পর্কে তার স্মৃতিকথায় লিখেছিলেন, বিভিন্ন ভাষাভাষী লোহানীর বুদ্ধি ছিল ‘তরোয়ালের মত ধারালো’। সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুর লোহানীর জার্মান, ফরাসি ও রুশ ভাষায় অনর্গল কথা বলার দক্ষতা নিয়ে তার আত্মজৈবনিক রচনা ‘যাত্রী’তে শ্রদ্ধার সঙ্গে উল্লেখ করেছিলেন। এমএন রায় ধারণা করেছেন যে, ১৯২১ সালে লেনিনকে পাঠানো ‘থিসিস অন ন্যাশনাল অ্যান্ড কলোনিয়াল কোয়েশ্চেনস’ শীর্ষক প্রবন্ধটি ‘বীরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, গোলাম আম্বিয়া লোহানী ও পাণ্ডুরাঙ্গ খানখোজে’ ত্রয়ীর নাম-সংবলিত হলেও আসলে রচনাটি লোহানীরই- ওদের মধ্যে আর কারও এটা লেখার ক্ষমতা ছিল না। গঙ্গাধর অধিকারী কর্তৃক নানা খণ্ডে সম্পাদিত ‘হিস্টরি অব কম্যুনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া’ বইতে লোহানীর নানা উল্লেখ রয়েছে এবং তার বিভিন্ন ইংরেজি রচনা সেখানে সংকলিতও হয়েছে। যদিও রুশ, ফরাসি ও জার্মান ভাষায় লেখা তার বিভিন্ন রচনা এখনও সংকলিত হওয়ার অপেক্ষায়। এই লোহানীর জন্ম বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জে। শিক্ষাগ্রহণ আলিগড়ে এবং লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সে; একাধারে মার্কস, মিল, লেনিন ও কেইনস্‌ বিভিন্ন স্কুলের রচনাবলির সঙ্গে তিনি ছিলেন পরিচিত, স্তালিনীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে ১৯৩৮ সালের এক দিনে বুখারিনের মতো ভিন্নমতাবলম্বী অন্য কমরেডদের সঙ্গে মৃত্যু হয় তার। আমাদের দেশের মুক্তি-সংগ্রামের স্মৃতি-মিউজিয়ামের অন্তত কোনো একটি কর্নারে, কোনো একটি পাদটিকায়, কোনো একটি ব্যানারে বা বইতে তার নাম থাকার কথা ছিল। তিনিই ছিলেন, কমরেড মুজফ্‌ফর আহ্‌মদেরও আগে প্রথম বাঙালি মুসলিম কম্যুনিস্ট। এবং ‘শিখা’ গোষ্ঠীর ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের অনেক আগেই তত্ত্বে-তথ্যে-মননে জ্বলজ্বল করা এক নাম। যারা ১৯২৮ সালে কমিনটার্নের ষষ্ঠ কংগ্রেসে ডি-কলোনাইজেশন প্রশ্নে অটো কুমিনিন-লোহানীর বিতর্ক পড়েছেন (অধিকারীর বইতে তা যথাবিহিতভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে) তারাই এর পাণ্ডিত্যে বিস্মিত হবেন। লোহানীর নাম, তার জীবনী এবং প্রকাশিত/অপ্রকাশিত লেখার সংকলন আমাদের স্মৃতির আড়ালে থেকে যাবে- এটা সহজে মেনে নেওয়া যায় না। কোনো স্কুলের পাঠ্যবইতে তার নাম কখনও উচ্চারিত হবে না- এটাও অপ্রত্যাশিত। লোহানীর ফরাসি স্ত্রী গ্যাব্রিয়েলা লোহানী জানিয়েছিলেন, প্যারিস থেকে ‘দ্য ভ্যানগার্ড অব মাসেস’ সাময়িকীটি প্রকাশের পাশাপাশি তখন একটি ‘বইয়ের ওপরেও’ কাজ করছিলেন লোহানী। তার অদেখা শাশুড়ি মাকে মিথ্যে কথা কেন বলবেন তিনি? হয়তো প্যারিসের ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে অথবা মস্কোর ইতিহাস বিষয়ক মহাফেজখানায় তার বইটির একদিন ঠিক খোঁজ মিলবে। ঠিক যেমন আবুল হাসান ‘এপিটাফ’-এ লিখেছিলেন, ‘একদিন আকাশ আলো মিলে যায়, মেলে’; তেমনভাবেই লোহানী আমাদের ইতিহাসে-সাহিত্যে হবেন একদিন স্বতঃপ্রকাশিত।

[ক্রমশ]

  1. এদোয়ার্দো গালিয়েনোর স্মৃতি (Memoirs of Eduardo Galeano) Leave a reply
  2. এদোয়ার্দো গালিয়েনোর স্মৃতি (Memoirs of Eduardo Galeano) Leave a reply
  3. এদোয়ার্দো গালিয়েনোর স্মৃতি (Memoirs of Eduardo Galeano) Leave a reply
  4. এদোয়ার্দো গালিয়েনোর স্মৃতি (Memoirs of Eduardo Galeano) Leave a reply
  5. পভার্টি ট্র্যাপ ও আকাঙ্ক্ষার দারিদ্র্য: সিলেটে রবীন্দ্রনাথের ভাষণ (Poverty Trap and Poverty of Aspiration: Tagore in Sylhet) Leave a reply
  6. পভার্টি ট্র্যাপ ও আকাঙ্ক্ষার দারিদ্র্য: সিলেটে রবীন্দ্রনাথের ভাষণ (Poverty Trap and Poverty of Aspiration: Tagore in Sylhet) Leave a reply
  7. এলিয়ট, ওরিয়েন্টালিজম ও রবীন্দ্রনাথ (Eliot, Orientalism and Tagore) Leave a reply
  8. এলিয়ট, ওরিয়েন্টালিজম ও রবীন্দ্রনাথ (Eliot, Orientalism and Tagore) Leave a reply
  9. এলিয়ট, ওরিয়েন্টালিজম ও রবীন্দ্রনাথ (Eliot, Orientalism and Tagore) Leave a reply