এমডিজির গতানুগতিক পন্থায় এসডিজি অর্জন সম্ভব নয়

বিনায়ক সেনসহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বাংলাদেশের সাফল্য এবং এসডিজিতে (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল) প্রবেশ উপলক্ষে প্রথম আলোর সঙ্গে উন্নয়নের পথযাত্রা নিয়ে কথা বলেছেন অর্থনীতিবিদ বিনায়ক সেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক। দারিদ্র্য, বৈষম্য ও সমতামুখী প্রবৃদ্ধি নিয়ে দীর্ঘকাল গবেষণা করছেন তিনি। এর আগে ছিলেন বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তরে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ। আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা জার্নাল ও বইপত্রে তাঁর ৫০টির বেশি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।

প্রথম আলো : যাকে বলা হয় বাংলাদেশ প্যারাডক্স বা ধাঁধা—দুর্নীতি ও দুর্যোগের মধ্যেও বাংলাদেশের উন্নতি বিস্ময়কর। এমডিজির সাফল্যে জাতিসংঘের স্বীকৃতির লগ্নে এই ধাঁধাটিকে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
বিনায়ক সেন : এই স্বীকৃতির শুরুটা ২০০০–এর দশকে। আমি কিন্তু আরেকটু পেছনে থেকে আসতে চাই। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজির অগ্রগতি পরিমাপ করা হয় নব্বই সালের অবস্থার নিরিখে। অথচ নব্বই পর্যন্ত বহির্বিশ্বে ধারণা ছিল, বাংলাদেশ খুব একটা এগোচ্ছে না। কিন্তু অর্থনীতিবিদদের মধ্যে প্রথম যে ব্যক্তি এ ধারণাকে জোরের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ করেন, তিনি আবু আবদুল্লাহ। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ উন্নয়ন সমীক্ষায় প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের ২৫ বছর, একটি ইতিবাচক প্রেক্ষিত’ প্রবন্ধে তিনি দেখান, ওই ধারণা বেঠিক। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তুলনার ভিত্তিতে তিনি দেখান সামগ্রিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্রাথমিকে ভর্তি, শিশুমৃত্যুর হারসহ আরও কিছু সূচকে মাথাপিছু আয়ের সাপেক্ষে বাংলাদেশ সম্ভাব্য অর্জনের তুলনায় বেশি আগুয়ান। এরপর ২০০৪ সালে ফরাসি অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজ লিখলেন: বাংলাদেশ শোজ দ্য ওয়ে। তাঁর দাবি, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের চেয়ে, বিশেষ করে মৌলিক স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসূচকে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে। ২০১৩ সালে প্রকাশিত তাঁর ও অমর্ত্য সেনের যৌথ গ্রন্থ অ্যান আনসার্টেন গ্লোরি: ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস কনট্রাডিকশন-এ আরও পরিসংখ্যান দিয়ে দাবিটাকে তিনি জোরালো ভিত্তি দেন। সুতরাং ধারাবাহিক উন্নতির সমান্তরালে ধারাবাহিক স্বীকৃতিও আসছিল। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত হলেন। এতে আমি অন্তত বিস্মিত হইনি। ২০০১ সালে প্রকাশিত বাংলাদেশ মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনের শুরুতেই আমরা কিন্তু এই সাফল্যের পূর্বাভাস দেখিয়েছিলাম। সুতরাং তিন দশক ধরেই বাংলাদেশের সাফল্যের পাণ্ডুলিপি রচিত হয়ে আসছে।
প্রথম আলো : এই তিন দশকের প্রচেষ্টা ও সাফল্যের ইতিহাসে অনেকগুলো সরকার ক্ষমতায় ছিল। বিভেদ সত্ত্বেও তার মানে প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতা ছিল?
বিনায়ক সেন : তার মানে এমডিজি রাজনৈতিক লক্ষ্য হয়ে উঠেছিল। যে-ই সরকারে থাকুক, তারা মনে করেছে এমডিজিতে আরও সাফল্য মানে জনগণের কাছে আরও বেশি গ্রহণযোগ্যতা, আরও উজ্জ্বল ভাবমূর্তি। এভাবে উন্নয়নের ফলাফল রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হয়ে উঠল। শিক্ষা বা স্বাস্থ্য খাতে এক সরকারের কর্মসূচি পরের সরকার বাতিল না করে বরং আরও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করেছে এবং সেটার বাহবা নেওয়ারও চেষ্টা করেছে। নব্বইয়ের পর কয়েকবার সরকার পরিবর্তন হলেও এই প্রতিযোগিতা বহাল থেকেছে। তবে সত্য যে, এই প্রচেষ্টার সূত্রপাত সত্তরের দশকে। বিশেষ করে ’৭৪-এর দুর্ভিক্ষের পরে আমাদের নীতিনির্ধারকেরা এই উপলব্ধিতে আসেন যে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য উৎপাদন ও নারীশিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। একটা আরেকটার সঙ্গে জড়িত। খাদ্য উৎপাদন না বাড়ালে খাদ্য-দারিদ্র্য কমবে না। আবার নারীশিক্ষার প্রসার না ঘটলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রিত হবে না। সুতরাং এমডিজি প্রবর্তনের আগেই নব্বইয়ের দশকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে কতগুলো কর্মসূচি চালু হয়েছিল। যেমন আশির দশকে টিকাদান কর্মসূচি, খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা নব্বই দশকে, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রীদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু হয় আশির দশকের শেষে। এসবই প্রমাণ করে, অঘোষিতভাবে হলেও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একটা সামাজিক চুক্তি হয়ে ছিল যে কিছু বিষয়ে আমরা অগ্রগতি ঘটাব। এটাই আমাদের স্বাধীনতাসংগ্রামের অর্থনৈতিক মূল্যবোধ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এই মূল্যবোধ আরও দৃঢ় হয়েছে।
প্রথম আলো : নব্বইয়ের দশকে একগুচ্ছ নতুন অর্থনৈতিক চালক, যেমন সামাজিক ক্ষেত্রে সরকারি কর্মসূচি, বাজার, এনজিও, ক্ষুদ্রঋণ ইত্যাদির কী ভূমিকা?
বিনায়ক সেন : এ অর্জন একক চালিকাশক্তি দিয়েও হয়নি, এক পথেও হয়নি। সরকারি খাতের পাশাপাশি এনজিও খাতেরও সমান্তরাল অবদান ছিল। এনজিও-জিও সহযোগিতার যুক্তি গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিল। অমর্ত্য সেন যে পাবলিক অ্যাকশনের কথা বলেন, তার মধ্যে সরকারের পাশাপাশি এনজিও, বৃহত্তর অর্থে স্থানীয় জনগণ ও সামাজিক উদ্যোগও আছে। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতায় পাবলিক অ্যাকশনের ধারণা আরও প্রসারিত হয়েছে। এখন সবার হাতে মুঠোফোন, গণযোগাযোগ নিবিড়। এই সুবাদে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়টা একজন স্বাস্থ্যকর্মীর যাওয়া না যাওয়ার ওপর এখন আর পুরোটা নির্ভরশীল নয়। জনবসতির ঘনত্ব বেশি থাকায় তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি, নারীশিক্ষা, ছোট পরিবার, পরিচ্ছন্নতার স্লোগান—এখন বাস-স্কুটারের পেছনে লেখা থাকতে দেখা যায়। একে বলা যায় দেখা থেকে শেখা।
প্রথম আলো : এমডিজি পূরণের পর কী কী ঘাটতি রয়ে গেল?
বিনায়ক সেন : তিনটি ক্ষেত্রে ঘাটতি চিহ্নিত করতে চাই। প্রধান হচ্ছে, পরিমাণে এগোলেও গুণগত মান অর্জিত হয়নি। প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার ভালো, কিন্তু সমাপ্তির হার ভালো না। শিক্ষার মানও ভালো না। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, অষ্টম শ্রেণি পাস করলে ছেলেমেয়েরা পঞ্চম শ্রেণির জ্ঞান পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। তার মানে যারা পঞ্চম শ্রেণির আগে ঝরে যাচ্ছে, কিংবা যারা শুধু পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত যাচ্ছে, তারা তৃতীয় শ্রেণির পর্যায়ে পড়ে থাকছে। এটা গুণগত মানের প্রশ্ন। স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে আমরা প্রতিষেধকে সাফল্য অর্জন করেছি, কিন্তু সর্বজনীন স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার ব্যবস্থা চালু করতে পারিনি। এটা বেশি প্রযোজ্য গরিবদের বেলায়। এরপর আসে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সামাজিক অসাম্য। ডিএইচএস দেখাচ্ছে, তলার ১০ শতাংশের সঙ্গে উচ্চের ১০ শতাংশের মধ্যে এখনো প্রচণ্ড বৈষম্য বিদ্যমান। হাওর ও পার্বত্য দুর্গম এলাকায় সেবাগুলো যায়নি। সুশাসনগত সমস্যা, তথা দুর্নীতি ও দলীয়পনা রয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে উচ্চ স্তরেই কর্মসূচিগুলো থেমে গেছে।
প্রথম আলো : এমডিজির পর এসডিজি ঠিক করা হলো ১৫ বছরের জন্য। দ্য ইকোনমিস্ট লিখেছে, এসডিজিতে লক্ষ্যমাত্রা বিমূর্ত ও কর্মপন্থা অবাস্তব।
বিনায়ক সেন : এমডিজির এই ঘাটতিগুলো এসডিজিতে অর্জনের লক্ষ্য হিসেবে রাখা আছে। এমডিজির আটটি লক্ষ্য ছিল, এসডিজিতে ১৭টি। এমডিজিতে দারিদ্র্য নিয়ে কথা ছিল, কিন্তু বৈষম্য নিয়ে কথা ছিল না। এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে তিনটা দিকে আমি বিশেষভাবে উৎসাহী: যেমন ১০ নম্বর লক্ষ্যে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশের আয়বৃদ্ধির হার জাতীয় আয়বৃদ্ধির হারের চেয়ে বেশি হতে হবে। অর্থাৎ দরিদ্রতম ৪০ শতাংশের আয়বৃদ্ধি জাতীয় আয়বৃদ্ধির চেয়ে বেশি হওয়া দরকার। এই লক্ষ্যটা তাৎপর্যপূর্ণ। এর পাশাপাশি বলা হয়েছে টেকসই উন্নয়নের কথা। টেকসই উন্নয়ন বলতে সামাজিক সংহতিমূলক সামগ্রিক উন্নয়ন বোঝায়। আমরা অনেকেই এই চ্যালেঞ্জটাকে লক্ষ্য হিসেবে নেওয়ার জন্য পাঁচ-সাত বছর ধরে বলে আসছি। আমরা চাইছি আয়বৈষম্য, সম্পদবৈষম্য, ভোগবৈষম্য কীভাবে কমিয়ে আনা যায়, তার পথনির্দেশ।
প্রথম আলো : আমরা এখন নিম্ন–মধ্যম আয়ের দেশ, এ পর্যায়ে জনগণ তো জীবনযাপনের সংগতিপূর্ণভাবে উচ্চমান ও অধিকার দাবি করবে?
বিনায়ক সেন : বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০৩০-এর মধ্যে দারিদ্র্য ৩ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনতে পারলেই ধরে নেওয়া হবে দারিদ্র্য সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে ৩ শতাংশ জনসংখ্যাও কিন্তু বিরাট আকারের। এসডিজির ৪ নম্বরে বলা হয়েছে মানসম্পন্ন শিক্ষার কথা। তার মানে এমডিজির যে অসম্পূর্ণতা ছিল, এখানে সেটাকে লক্ষ্য ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার মান আন্তর্জাতিকভাবে যাচাইয়ের পদ্ধতি নেই। এখন পৃথিবীর প্রায় ৭০টির মতো দেশ আন্তর্জাতিক মান যাচাইয়ের অংশ। ভারতের দুটি রাজ্য এর অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষার মানের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এ ধরনের আন্তর্জাতিক যাচাইব্যবস্থার অংশ করতে হবে। যখন বলছি যে আমরা নিম্ন–মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরিত হয়েছি, তখন তো এসব মান অর্জন জরুরি। আবারও বলছি, মানের দিকটা অর্জিত হবে না, যদি এক নম্বর লক্ষ্য দারিদ্র্য নির্মূল এবং ১০ নম্বর লক্ষ্য আয়বৈষম্য কমিয়ে আনা না যায়।
প্রথম আলো : এমডিজি পূরণ হয়েছে, কারণ বিশ্বের দারিদ্র্যের বিপুল অংশের যেখানে বাস ছিল, সেই চীন একাই তা দূর করেছে। দক্ষিণ আমেরিকার কয়েকটি দেশের বেলায়ও ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরিত হয়েছে। তাই এমডিজি ও এসডিজির পুরোনো পদ্ধতি কতটা কার্যকর?
বিনায়ক সেন : পুরোনো পদ্ধতির কিছু কিছু কাজে লাগবে যেমন এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ বা বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান সৃষ্টি বা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ। মানসম্পন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলেও খরচ বাড়াতে হবে। তেমনি দারিদ্র্য হ্রাস থেকে সম্পূর্ণ দূরীকরণ করতে চাইলেও বিপুল ব্যয় চাই। পুরোটাই শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে সম্পদের যথাযথ সমাবেশের ওপর। আগের তুলনায় অনেক বেশি দরিদ্র মানুষের প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে হবে বা তাদের সব সহায়তা দিতে হবে।
প্রথম আলো : পশ্চিমা সরকারগুলোর তরফে এমডিজিতে তাদের জিডিপির শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এসেছে প্রতিশ্রুতির মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। দারিদ্র্য নিরসনে বৈশ্বিকভাবে বছরে যে ৬৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, তা কোথা থেকে আসবে?
বিনায়ক সেন : দেশীয় স্তরে বলতে পারি যে আমাদের ট্যাক্স-জিডিপির বর্তমান ১২ থেকে ১৩ শতাংশ দিয়ে এসডিজি অর্জন সম্ভব নয়। ন্যূনতম সুশাসন বজায় রেখে কীভাবে আমরা প্রবৃদ্ধি বাড়াতে পারি এবং আয়বৃদ্ধিকে যথাযথ করারোপ করে দরিদ্র মানুষের জন্য ব্যয় করতে পারি। অর্থাৎ মোটামুটি আইনশৃঙ্খলা, মোটামুটি সুশাসনের মাধ্যমে উন্নতির মাধ্যমে যে আয় সৃষ্টি হবে, তার ওপর আগের চেয়ে আরও বড় আকারে করারোপ করতে হবে। আর তা ব্যয় করতে হবে সামাজিক শিক্ষা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ খাতে। সুতরাং ধনীদের ওপর আগের ছেয়ে বেশি করারোপ করতে হবে। পাশাপাশি চেষ্টা করতে হবে ন্যূনতম সুশাসন থেকে পূর্ণ সুশাসন ও ন্যূনতম গণতন্ত্র থেকে পূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের। উন্নয়নের ধারা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রেখেই তা করতে হবে। এভাবে গণতন্ত্র ও সুশাসনের চাহিদা যত বাড়বে, গণতন্ত্র ও সুশাসনের দাবিও তত বাড়বে। যেমন আমি আশা করছি আগামী ১৫ বছরে এসডিজি যখন বাস্তবায়িত হবে, তার মধ্যে তরুণ শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর আকার ও চাহিদা বাড়তে থাকবে। এই বর্ধিত চাপের কারণেই আমাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও বেশি গতিশীল, জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক হতে বাধ্য হবে। এই বাস্তবতাকে আমাদের রাজনৈতিক কর্তারা আমলে নেবেন আশা করি।
প্রথম আলো : আপনাকে ধন্যবাদ
বিনায়ক সেন : ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s